গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি এবং গর্ভবতী মায়ের গ্যাস হলে এন্টাসিড গ্রহণ করা কি নিরাপদ

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি
মাতৃত্ব মেয়েদের জীবনে এক অনন্য অনুভূতি। কিন্তু গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে যেহেতু জীবনের একটি অনন্য পর্যায়ের কথা, সেহেতু সাবধানে গর্ভবতী মায়ের খাবার দাবার এবং ঔষধ পত্র সেবনে সজাগ থাকতে হয়। আমরা ও আজকে গর্ভবতী মায়ের ঔষধ সেবনের কথা অর্থাৎ গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি সেই সম্পর্কে আলোচনা করবো । 
সেই সাথে থাকছে গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা কেন হয়, গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ খাওয়া যাবে কি, গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ, গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা কিভাবে দূর করবেন, গর্ভবতী মায়ের গ্যাস হলে এন্টাসিড গ্রহণ করা কি নিরাপদ এবং গর্ভবতী মায়ের গ্যাস হলে করণীয় কি গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা নিয়ে সর্বার্তক কথা থাকছে আজকের এই আর্টিকেলে । 

গর্ভবতী মায়ের গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাসের সমস্যা 

গ্যাস তো সব মানুষেরই হয়ে থাকে। তা বলে শুধু আজকের এই টপিকের মূল বিষয়বস্তু কেন শুধু গর্ববতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা বা গর্ববতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি নিয়ে কথা হচ্ছে। 
আসলে মূল কথা হচ্ছে, সাধারণ ভাবে সব মানুষের মধ্যে কম বেশি গ্যাসের সমস্যা হয়ে থাকে। কিন্তু গর্ববতী মায়ের ক্ষেত্রে গ্যাস হলে একটু জটিলতা দেখা দেয়। তাই গর্ববতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা নিয়ে কথা হচ্ছে । আসুন তাহলে সমস্যা গুলি একটি তদারকি করি। 
আসলে গর্ববতী মায়ের গর্ব ধারণের পরে কিছু বিশেষ হরমোনের পরিমান নির্দিষ্টতার চেয়ে একটু বেশি পরিমানে বৃদ্বি পাই। তারমধ্যে হলো প্রোজেস্টেরন হরমোন। এটি গর্ববতী মায়েদের একটু বেশি বৃদ্বি পে এই সময়ে। এবং এর সাথে হজমের সাথে সংযোক্ত কিছু পেশীর কার্যক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। 
এই কারণে গর্ববতী মায়েদের গ্যাসের সমস্যা হওয়ার সম্ভবনা থাকে বা গ্যাসের সমস্যা হয় । এর সাথে পেট ও ফাঁপা হয়ে যায় এবং কোষ্টকাটিন্য হওয়ার ও সম্ভবা বেড়ে যায় ।  তাই আজকে এই সমস্যার কারণে আমরা গর্ববতী মায়ের ঔষধ কোনটি সেই বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করছি । আপনারাও সাথে সঙ্গ দিবেন আশা করি অনেক কিছু জানার আছে পরে ।

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ খাওয়া যাবে কি

যেহেতু গর্ববতী অবস্থায়, সাধারণ অবস্থায় নই সেহেতু একটু চিন্তার বিষয় থাকে যে গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি বা গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ আদৌ খাওয়া যাবে কি?এই প্রশ্ন জানার থেকেই যায় । এই সমস্যায় ভুগছি বলে আমাদের মধ্যে অনেক কিছু জানার আছে । 


গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি

গর্ববতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ খাওয়া যাবে এমনকি ৭ মাস হয়ে যাওয়ার পরেও আপনি গ্যাসের ঔষধ বা টেবলেট অথবা সিরাপ খেতে পারবেন। তবে একটি বিষয় লক্ষ্য রেখে চলার জন্যে সবসময় আমরা বলে থাকি সেটা হচ্ছে। 
যেহেতু গর্ভকালীন সময়, সেহেতু একটু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ নিয়ে খেলে বোধয় সচেতনতার পরিচয় দেবনে। কারণ মাতৃত্ব কালে একটু বেশিই সচেতন হাওয়া প্রত্যেক গর্ভবতী মায়ের প্রয়োজন ।  

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ খাওয়ার ক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করা খুব বেশি জরুরি। আমরা সাধারণত যে সব গ্যাসের ঔষধ গুলি খাই সব ঔষধগুলি কিন্তু খাওয়ার জন্যে উপযোগী নই একজন গর্ভবতী মা। কারণ সে সময় যেকোন গ্যাসের ঔষধ খেলে অনাগত সন্তানের উপর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।


তাছাড়াও একেক গর্ভবতী মায়ের রক্ত সঞ্চালন এবং রক্তের ধরন একেক রকম। এবং কোন ঔষধ কোন গর্ভবতী মায়ের প্রযোজ্য সেটি একমাত্র একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারি বেশি ভাল বুজবেন তার রক্তের প্রবাহ এবং পরীক্ষার মাধ্যেম।  


তাই এই বিষয়গুলি ভাল করে বুজে একজন ডাক্তারি তাকে ভাল ঔষধ খাওয়ার কথা বলতে পারবেন। তবে বাজারে নিম্নলিখিত কিছু গ্রূপের গ্যাসের ঔষধ পাওয়া যায়। সেটি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে।

গ্যাসের ঔষধের নামের তালিকা

  • প্যান্টপ্রাজল
  • রেবিপ্রাজল
  • ওমিপ্রাজল
  • ইসোমিপ্রাজল


এই উপরিউক্ত গুপগুলির উপর ভিত্তি করে একেক কোম্পানি একেক নামের ঔষধ তৈরী করে থাকে ।

যথা ঃ 

  • ম্যাক্সপ্রো
  • সারজেল
  • কোসেক
  • অমিপ্রাাজল
  • ইসমোপ্রাজল
  • অমিক্রন 
  • ওমেপ 
  • পিপিআই


তবে আমাদের এই টপিকে পরামর্শ থাকবে যে, আপনারা মানে গর্ভবতী মায়েরা যারা নিকটস্থ ফার্মেসী থেকে গ্যাসের ঔষধ নিয়ে খান তাদের প্রতি অনুরোধ রইল। 


একজন ভাল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সানিধ্যে থেকে ঔষধ সেবন করবেন। কারণ তাতে করে আপনার অনাগত সন্তানের উপর হয়ত ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।  আশা করি গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি এই নিয়ে আর দ্বিধা থাকার কথা নই ।  

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা কিভাবে দূর করবেন

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি এই চিন্তা বাদ দিয়ে। ঘরোয়া ভাবে গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা দূর করার জন্যে কিছু পদ্বতি গ্রহণ করলে এবং সচেতন হলেই অনেকক্ষানি সমস্যা দূর করা সম্ভব। তবে গর্ভবস্তায় গ্যাসের সমস্যা একটু আধটু হয়েই থাকে। কিন্তু আমরা সাবধানতার সাথে কিভাবে চলতে পারি তা একটু দয়া করে খেয়াল করবেন ।

গ্যাস যুক্ত খাওয়ার বর্জন করা

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা দূর করার গ্যাস তৈরী হয় এমন খাওয়ার গুলি গর্ভবস্থায় বাদ দিতে হবে। এবং আপনাকে একটু খেয়াল রাখতে হবে যে কোন কোন খাবার গুলি আপনার পেতে গ্যাসের সৃষ্টি করছে। একেক জনের একেক খাবারে গ্যাসের সৃষ্টি করে। তবে আমরা বলার চেষ্টা করছি সম্ভাব্য যে সমস্ত খাবার গুলি গর্ভবতী মায়ের পেটে গ্যাসের সৃষ্টি করতে পারে। তৎমধ্যে 


গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি


চৰ্বিযুক্ত খাবার যা পেটে গ্যাসের সৃষ্টি করে

পিঁয়াজ

রসুন

মসলা জাতীয় খাবার

আপেল

নাশপাতি

আমি

এইগুলি সম্ভাব্য বেশিই গ্যাসের সৃষ্টি করতে পারে তাই এগুলি এড়িয়ে চলুন। 

ধীরে-সুস্থে খাওয়া

ধীরে-সুস্থে খাওয়ার অভ্যাস করলে গ্যাসের সমস্যা থেকে গর্ভবতী মায়েরা অনেকটা মুক্তি পেতে পারেন। যেমন আপনি খাওয়ার সময় ধীরে-সুস্থে খেতে পারেন এতে করে তাড়াতাড়ি করে খেতে গেলে পেটে বাতাস ঢুকার সম্ভবনা থাকে। কিন্তু ধীরে সুস্থে খেলে বাতাস তেমন ডুকতে পারে না। কারণ তাড়াতাড়ি খাওয়ার সময় খাবার চিবানোর চেয়ে গিলে ফেলা বেশি যায় । অনেকাংশে তেমন হজম হয় না। যা গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। তাই ধীরে-সুস্থে খান ।

হজম প্রক্রিয়া সহজ করতে 

যেহেতু গর্ভবস্থায় প্রোজেস্টেরন হরমোন বেশি বৃদ্বি পায় এবং হজমের পেশী গুলি  দুর্বল হয়ে যায় সেহেতু খাওয়ার পর হজমের সমস্যা হতে পারে। এতে করে হজম প্রক্রিয়া সহজ করার জন্যে আপনি দই খেতে পারেন। দই আপনার খাওয়ার কে সহজে হজম করতে সহায়তা করে। কারণ এই দই একটি প্রোবায়োটিক খাবার । 

কম কম করে বার বার খাওয়া

গর্ভবতী মায়েরা এই সময় গ্যাসের সমস্যা নিরসনে খাবারকে একটু পরিবর্তন করে খেলে অনেকাংশে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তারমধ্যে হলো খাবারকে আমরা বিশেষকরে তিন বেলা করে খাই। এই সময় আপনি কম কম করে  ৬ বেলা বা ৭ বেলা করে খেতে পারেন এতে করে আপনার হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।  


তারপর হলো রাত্রের বেলা খাবার একটু তাড়াতাড়ি খাবেন। কারণ  হচ্ছে রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ২ ঘন্টা আগে খাবার খাবেন তাতে করে খাদ্য পরিপাক হতে সহজ হয় এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে অনেকখানি মুক্তি পাওয়া যায় ।


আরও পড়ুনঃ

নিজেকে চিন্তা মুক্ত রাখা

গর্ভবস্থায় যতটুক পারা যায় নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখা। কারণ বিভিন্ন রকম দুশ্চিন্তা মাথায় থাকলে খাওয়ার সময় গ্যাসের সমস্যা হয়। তাই নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখা দরকার। তাতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। এইজন্যে কিছু শারীরিক ব্যায়াম রয়েছে সেগুলি একটু অনুসরণ করলে অনেকটা সুফল পাবেন ।

গর্ভবতী মায়ের গ্যাস হলে এন্টাসিড গ্রহণ করা কি নিরাপদ

এন্টাসিড গ্রহণ করা নিরাপদ কিংবা অনিরাপদ সে কথায় আসার আগে আমরা আগে একটু এন্টাসিটের গুনাগুন সম্পর্কে বলার চেষ্টা করি। কারণ আমাদের আজকের কথা হচ্ছে গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি। এন্টাসিড অনেক রকমের রয়েছে । 


গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি

তবে এন্টাসিড খুব দ্রুত পেটের অম্বল এবং জ্বালাপোড়া বন্ধ করতে খুব ভাল কাজ করে। টেবলেটের চেয়ে এন্টাসিড সিরাপ একটু তাড়াতাড়ি মিশে যায়। কারণ এই এন্টাসিড ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এবং এলুমিনিয়াম দিয়ে তৈরী করা হয়। 


তবে এই এন্টাসিড ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খেলে বিপদ হতে পারে। তার কারণ হিসেবে বলা যায় এলুমিনিয়াম এবং সোডিয়াম বাইকার্বোনেট মানুষের শরীরে ক্ষতির প্রভাব বাড়িয়ে তুলতে পারে। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট শরীরে বেশিদিন প্রয়োগ করলে পানি জমার সম্ভবনা রয়েছে এবং গর্ববতী মায়ের পায়ের গোড়ালি ফুলে গিয়ে ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে। 


তবে ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম কার্বনেট জাতীয় এন্টাসিড ঔষধ গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের জন্যে বা বদহজমের জন্যে নিরাপদ বলে গণ্য হয়। তবে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এন্টাসিড সেবন করা উত্তম।  

গর্ভবতী মায়ের গ্যাস হলে করণীয়

গর্ভবস্থায় গ্যাস হলে করণীয় গ্যাস না হওয়ার জন্যে ও অনেক কিছু করার রয়েছে। এবং সাথে সচেতন হওয়ার ও কিছু বিষয় থেকে যায় । 


কোন মতে অতি মসলা জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না ।

গ্যাস এড়াতে একটু আদা জল, পুদিনা পাতা এবং লেবু জাতীয় পানীয় গ্রহণ করুন ।

নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম যাওয়া ।

অতিরিক্ত আহার পরিত্যাগ করা ।

ক্যাফেইন জাতীয় খাবার বর্জন করা ।

নিজেকে চিন্তামুক্ত রাখা ।

হালকা কিছুটা শারীরিক ব্যায়াম করা ।

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ নিয়ে শেষ কথা

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা হলে খুব সাবধানে নিজেকে সামলে নিতে হয়। এবং অবশ্যই একজন ডাক্তারের সানিধ্যে থাকাটা জরুরি। গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের ঔষধ কোনটি সেই বিষয়ে আমরা অনেকটা বলার চেষ্টা করেছি ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। 


তাই গর্ববতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা হলে আমাদের এই আর্টিকেলের বিষয়গুলি ও একটু দৃষ্টিপাত করবেন আশা করি দিক নির্দেশনা মূলক অনেক কিছুই আপনার জন্যে খুব উপকারে আসবে ।

অনবরত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

গর্ভবতী মায়ের কোন ঔষধ খাওয়া যাবে না ?

এন্টিবায়টিক ঔষধ তো একদম খাওয়া যাবে না কোনমতেই। তার সাথে 

আ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন, লোরাজেপাম, লিথিয়াম পিল ইত্যাদি খাওয়া থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। 

গর্ভবতী মায়ের গ্যাস হলে অনাগত সন্তানের কি কোন সমস্যা হয় ?

গর্ভবস্থায় মায়ের গ্যাস হলে অনাগত সন্তানের তখন সমস্যা হয় যখন অনিয়ন্ত্রিত ডাক্তারের পরামর্শ বিহীন ঔষধ সেবন করে তখন। কারণ কিছু ঔষধের প্রতিক্রিয়ার ফলে অকালে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তাছাড়া কোন সমস্যা নেই। 

গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের সমস্যা কি স্বাভাবিক নাকি অন্যকিছু ?

হ্যা গর্ভবতী মায়ের গ্যাসের এই সমস্যা স্বাভাবিক। কারণ সেই সময় প্রোজেস্টেরন হরমোনের বেশি বৃদ্বি এবং হজমের পেশী শক্তি একটু দুর্বল হয়ে পড়ে ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সবারজন্যে.কম এর নীতিমালা মেনে এ কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ১